বগুড়ায় মাদ্রাসার কমনরুমে ছাত্রীকে ধর্ষণ, অধ্যক্ষ গ্রেফতার

8c3abd8e856cdfc1d1e3c68a4a8e11fd-

বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ধর্ষকের বিচারের দাবিতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। বিকালে এ খবর পাঠানোর সময় ভিকটিম মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে অধ্যক্ষ ধর্ষণের কথা অস্বীকার করে বলেন, এটা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

অভিযোগে জানা গেছে, সোনাতলা উপজেলার আগুনিয়াতাইড় গ্রামের মৃত শরিফ উদ্দিনের ছেলে ফজলুল করিম সোনাতলা ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ। দুর্নীতির দায়ে তিনি ১১-১২ বছর জেল ভোগ করেছেন। ছাড়া পেয়ে আবার মাদ্রাসায় যোগদান করেন। চাকরির মেয়াদ শেষ হলেও দু’বছরের জন্য তা বর্ধিত করা হয়েছে।

মাদ্রাসার আলিম দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ভিকটিম জানান, তিনি উপবৃত্তির খোঁজ নিতে বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মাদ্রাসায় আসেন। অধ্যক্ষ তাকে দোতালায় কমনরুমে বিশ্রাম নিতে বলেন। কিছুক্ষণ পর অধ্যক্ষ জোহরের নামাজ আদায়ের কথা বলে দোতলায় যান। তিনি কমনরুমে ঢুকে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ শুরু করেন। এসময় ছাত্রীর চিৎকারে মাদ্রাসার অফিস সহকারী আল-আমিন ও পিয়ন শাহ্ আলম ছুটে আসেন। আশপাশের লোকজন টের পেয়ে কমনরুমে এসে অধ্যক্ষকে হাতেনাতে আটক করেন। খবর পেয়ে সোনাতলা থানা পুলিশ এসে অধ্যক্ষকে গ্রেফতার ও ভিকটিমকে উদ্ধার করে।

এদিকে, দিনের বেলা মাদ্রাসায় ছাত্রী ধর্ষণের খবর জানাজানি হলে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।

থানার ওসি আবদুল মোত্তালেব জানান, ছাত্রীকে ধর্ষণের সত্যতা পাওয়ায় অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভিকটিম সোনাতলা থানায় মামলা করেছেন। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বৃহস্পতিবার সকালে তাকে (ছাত্রী) বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।