এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ৩০০ বিধিতে বিবৃতি দাবি করেন তিনি।
মিরপুরে ‘চাঁদা না পেয়ে চুলায় পুলিশের বাড়ি’ থেকে অগ্নিদগ্ধ হয়ে চা বিক্রেতা বাবুল মাতুব্বরের মৃত্যু, মোহাম্মদপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে পথে আটকে হেনস্থা এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা গোলাম রাব্বী ও সিটি করপোরেশন কর্মী বিকাশ চন্দ্রকে নির্যাতনের প্রসঙ্গ তোলেন সংসদ সদস্য ফজলুর।
চট্টগ্রামে স্কুলে শিক্ষার্থীদের বেতন বাড়ানোর প্রতিবাদকারী অভিভাবকদের উপর চড়াও এক পুলিশ সদস্য (সাম্প্রতিক ছবি)
বুধবার রাতে দগ্ধ হয়ে দুপুরে ঢাকা মেডিকেলে মারা যাওয়া বাবুলের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “এই চা দোকানি অগ্নিদগ্ধ হওয়ার পেছনে শাহ আলী থানার কয়েকজন পুলিশ জড়িত। তারা নাকি ওই চায়ের দোকানে গিয়ে তার কাছে চাঁদা দাবি করে এ নিয়ে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে স্টোভের কেরোসিন তেল তার গায়ে পড়ে এবং তিনি অগ্নিদদ্ধ হন।“পরবর্তীতে শরীরের ৯৫ ভাগ অগ্নিদদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। কয়েকটি অনলাইন পত্রিকা এই ঘটনায় তার পরিবারের সদস্যদের উদ্ধৃতি দিয়ে সেই থানার কয়েকজন পুলিশকে অভিযুক্ত করেছেন।”
গত রোববার মোহাম্মদপুরের শিয়া মসজিদের কাছে এক যুবদল নেতার স্ত্রী একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে রিকশা থেকে নামিয়ে হয়রানি করেন আদাবর থানার এক এসআই।।
তার আগে জানুয়ারিতে মোহাম্মদপুর থানার এক এসআই মধ্যরাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা গোলাম রাব্বীকে আটকে নির্যাতন করেন। ওই ঘটনা নিয়ে দেশব্যাপী আলোচনার মধ্যেই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মচারী বিকাশকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ।
দেশে যখন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রয়েছে সে সময় এ ধরনের কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে ফজলুর রহমান বলেন, “এই মুহূর্তে হঠাৎ করে এই পুলিশ বাহিনীর ভেতরে এরা কারা? পরিস্থিতিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার মাধ্যমে দেশে এই শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার জন্য সমগ্র পুলিশ বাহিনীর ইমেজকে ক্ষুণ্ন করার জন্য এই ধরনের জঘন্য কর্মকাণ্ড করছে।”
অপকর্মে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা স্পষ্ট করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিবৃতি দাবি করেন তিনি।