আইএস বিষয়ে তথ্য আদান-প্রদান করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

isis-fighters-329479

ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশে আইএস নেই, তবে আইএসের হুমকি রয়েছে। আইএস ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত গেছে, বাংলাদেশের আসতে পারে। তাই ওয়াশিংটন আইএসের বিষয়ে তথ্য আদান-প্রদানে একজন বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশে পাঠাতে চায়।

আজ মঙ্গলবার মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট ও যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেইকের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘আমরা সব সময় তথ্য আদান-প্রদান করতে প্রস্তুত রয়েছি বলে তাঁকে জানিয়েছি।’ মন্ত্রী বলেন, ‘তাঁরা (দুই দূত) বাংলাদেশের সন্ত্রাসী কার্যক্রম মোকাবিলার প্রশংসা করেছেন এবং কীভাবে তা করছি, তা জানতে চেয়েছেন।’
দেশে কোনো ধরনের সন্ত্রাসের হুমকি আছে কি না?—প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদ এখন বিশ্বের একটি সমস্যা। হুমকি সব সময় আছে এবং সব সময় থাকবে। তবে বাংলাদেশের মানুষ কখনো সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দেয় না। এ জন্য এ দেশ নিয়ে তিনি আশাবাদী। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি যুক্তরাষ্ট্রে সফরের সময় এবং আজও রাষ্ট্রদূতকে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা করেছি।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শেরপুরে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গুলি ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বলে স্পষ্ট ইঙ্গিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি কাউকে দোষারোপ করব না। ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী যারা ছিল, বিগত সরকার তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিত। সেগুলোর একটা চিহ্ন এটি।’
ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দিকে ইঙ্গিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘শুধু শেরপুর নয়, আগে সিলেট অঞ্চল থেকেও প্রচুর গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।’ বর্তমান সরকার বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রশ্রয় দেয় না জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকার তাদের ধরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে দেয়।’